Today is  
 
Untitled Document
শিরোনাম : ||   আইসিওই'র প্রতিবেদন: রাখাইনে যুদ্ধাপরাধ সংগঠিত হয়েছে      ||   বাংলাদেশের নারীরা থাইল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পেয়েছে      ||   ইরাকের মার্কিন দূতাবাসে ৩ বারের মত ইরানের রকেট হামলা      ||   হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ: দেশে ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি      ||   রোহিঙ্গাদের অনিশ্চিত প্রত্যাবাসন: চীনের ব্যর্থ প্রচেষ্টা      ||   সমুদ্রপথে মালয়েশিয়াগামী ২৩ রোহিঙ্গা নাগরিক উদ্ধার      ||   পেকুয়ায় স্বামীর পরকিয়া সইতে না পেরে স্ত্রীর আত্মহত্যা!      ||   নাইক্ষ্যংছড়ির আফসানা ইসলাম রুমির সহকারী জজ পদে নিয়োগ পেলেন      ||   রোহিঙ্গাদের নিরাপদ পরিবেশে ফিরতে জাতিসংঘ কাজ করছে- ইয়াং হি লি      ||   জেলায় জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সার্ভার চালুকরণে জনসচেতনতামুলক সভা      ||   আত্মসমর্পনকারি ১০১জন ইয়াবা কারবারির বিরুদ্ধে আদালতে পুলিশের চার্জশীট      ||   মহেশখালীতে অস্ত্রকারীগর গ্রেফতার      ||   মহেশখালীতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন: আটক ৩      ||   সিপিবির সমাবেশে হামলা মামলায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ডদেশ      ||   চিত্র নায়িকা রত্নার ক্ষমা প্রার্থনা     
প্রকাশ: 2020-01-16     ডেস্ক নিউজ পর্যটন

একদিকে পাহাড়, অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরের বিশাল জলরাশি। এ সমুদ্র কতোই না অপরূপ! এই দৃশ্যেরই দেখা মেলে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে। তাই তো তার টানে হাজার হাজার পর্যটক প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছেন এ সমুদ্র দর্শনে। 

সমুদ্রের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে কক্সবাজার শহর। শহরের কলাতলি পয়েন্ট দিয়ে একটু সামনে এগোতেই সাগরের গর্জন। উথালপাথাল ঢেউ। নীল জলরাশি। এই দৃশ্য যে কাউকেই বিমোহিত করে।

সমুদ্রের এ গর্জন আর উথালপাতাল ঢেউ এক মুহুর্তের জন্যও থামে না। সৈকত জুড়ে বিছিয়ে রাখা চেয়ারগুলোতে বসে তারই সৌন্দর্য দুচোখ ভরে উপভোগ করছেন পর্যটকরা। 

সৈকতের লাবণী পয়েন্টে গিয়ে এ দৃশ্যই চোখে পড়ে। অনেকেই সী-বোটে করে সৈকতবর্তী সাগরে ছুটে বেড়াচ্ছেন। কেউবা আনন্দে মেতে সেরে নিচ্ছেন সমুদ্রস্নান। বহুস্তর সমুদ্র নিজের রূপ মেলে ধরেছে সবার সামনে। 

এই বিশাল সমুদ্র আর তার উত্তাল জলরাশির গর্জন উপভোগ করতে প্রতিদিনই ভোর থেকে মানুষ সৈকতে ভিড় করেন। গভীর রাত অবধি চলে তাদের সমুদ্র দর্শন। কখনোবা পূর্ণিমার আলোয় ভেসে যায় এই সমুদ্রের নীল জলরাশি। মুছে যায় মানুষের অবসাদ, বিষণ্ণতা আর ক্লান্তি। 

সৈকতে সবচেয়ে বেশি পর্যটকের ভিড় জমায় সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখতে। সোনার ডিমের মতো একটা সুর্য কীভাবে ধীরে ধীরে সাগরের বুকে হারিয়ে যায়, মন মাতানো সেই দৃশ্যের কোনো তুলনা নেই। 

ওদিকে কক্সবাজার শহর থেকে বেরিয়ে মেরিন ড্রাইভ রোডে উঠলেই যে কারো মন হারিয়ে যায় প্রকৃতির অপার লীলায়। একদিকে সুউচ্চ পাহাড়, অন্যদিকে ফেনিল, নীল সমুদ্র। দুপাশে সুন্দরের পসরা, তারই মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে মেরিন ড্রাইভ রোড। দুপাশে সুপারি বাগান, আর সাগরে সারি সারি নৌকা, ট্রলার।

হিমছড়ির কাছেই বড় বড় ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে। ইনানী বিচে ছড়িয়ে আছে অজস্র সমুদ্রঝিনুক আর ছোট ছোট পাথর। এরই মাঝে মাঝে হঠাৎ বড় ঢেউগুলো আছড়ে পড়ছে সে সৈকতে। ওদিকে মাঝিরা ট্রলার আর জাহাজে করে মাছ শিকারে বেরিয়েছে। 

প্রথমবার সমুদ্র দর্শনে যাওয়া এক শিক্ষার্থী হুমায়রা জানান নিজের উচ্ছ্বাস আর আনন্দের কথা। বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে গেছেন তিনি। 

হুমায়রা জানান, প্রথমবার সমুদ্র দেখতে এসেই তার প্রেমে পড়েছেন। এই বিশাল জলরাশির, সাগরের গর্জন, আর তাতে সূর্যাস্তের দৃশ্য যে কী অপরুপ! 

আরেক পর্যটক ফাহিমা সুমাইয়া বলেন, কক্সবাজার বহুবার এসেছি, তারপরও ছুটে আসি ক্লান্তি ঝরঝরে আর সতেজ হতে।

তবে কক্সবাজার আরও পর্যটকবান্ধব হওয়া দরকার বলে জানান তিনি। বলেন, কক্সবাজার শহরকে আরও পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক করা দরকার। রাস্তাঘাটসহ যেখানে সেখানে ময়লা, আবর্জনা পড়ে থাকে। এতে  পর্যটকদের দুর্ভোগ হয়। 

আরেক শিক্ষার্থী রৌজান ফেরদৌস বলেন, সাগরের গর্জন মন ভালো করে দেয়। এর আদিগন্ত জলরাশি দেখে বারবার বিমোহিত হই।


-বাংলানিউজ।


পর্যটন
সমুদ্র স্লান ও সুর্যাস্ত দেখার এখনই সময়!

অপরিচ্ছন্ন নগরী: পর্যটকরা কক্সবাজার বিমুখ হতে পারে

মুজিববর্ষে পর্যটক বাড়াতে জেলা প্রশাসনের নানা পরিকল্পনা

সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটক নিষিদ্ধ হচ্ছে

বর্ষবরণে কক্সবাজার ভ্রমনে আসা পর্যটকরা হতাশ

থার্টিফার্স্ট নাইটে আশানুরূপ পর্যটক নেই

থার্টি ফার্স্ট নাইট:সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের উচ্ছ্বাস

সৈকতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভীড়

শীতে ঘুরে আসুন কুতুবদিয়া দ্বীপ

পর্যটক নিরাপত্তায় হার্ডলাইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

 

উপদেষ্টা সম্পাদক: আবু তাহের
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
প্রকাশক: আবদুল আজিজ

 

কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (২য় তলা),
শহীদ সরণি (সার্কিট হাউস রোড), কক্সবাজার।
ফোন:
০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩।


ইমেইল :

news.coxsbazarvoice@gmail.com
  Copyright © Coxsbazarvoice 2019-2020, Developde by JM IT SOLUTION