Today is  
 
Untitled Document
শিরোনাম : ||   বিশ্বকাপ জয় বাঙালি জাতির জন্য সবচেয়ে বড় উপহার-প্রধানমন্ত্রী      ||   জুনিয়রদের কাছ থেকে শেখার অনেক কিছু রয়েছে-মুমিনুল হক      ||   বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংবর্ধনা দিবে সরকার      ||   মুজিববর্ষ:দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় তিন লাখ সাইলো (মোটকা) বিতরণ করবে সরকার      ||   দেশের বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরিক্ষা তথ্য বিভ্রাট      ||   ভারতীয় খেলোয়াড়রা অপেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে- ধারাভাষ্যকারদের মন্তব্য      ||   টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত      ||   রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে চায় সৌদি আরব      ||   করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কবস্থায় বাংলাদেশ      ||   যুব বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ      ||   প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আইওএম'র বাস ‍উপহার      ||   আফগানিস্তানে ২ মার্কিন সেনা নিহত      ||   রোহিঙ্গাদের দিয়ে কৌশল পাল্টাচ্ছে ইয়াবা কারবারিরা!      ||   থাইল্যান্ডে গুলি চালিয়ে ২০জনকে হত্যাকারি সেই সেনা সদস্য নিহত      ||   থাইল্যান্ডে সেনা সদস্যর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত ১২     
রোহিঙ্গা শিশুদের অনিশ্চিত জীবন
প্রকাশ: 2019-08-25 08:58:13   ভয়েস প্রতিবেদক কক্সবাজার ভয়েস

টেকনাফের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে প্রায় পাঁচ লাখ শিশু রয়েছে। এদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। পালিয়ে আসার পর মিয়ানমারের নির্যাতন থেকে হয়তো তারা মুক্তি পেয়েছে, তবে বন্যহাতি, সাপের কামড় আর রাতের বেলা মানবপাচারের ভয় থেকে মুক্তি পাচ্ছে না। ক্যাম্পের মধ্যে ন্যূনতম উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার ব্যবস্থা হচ্ছে বটে, কিন্তু সীমিত পরিসরের মধ্যে শৈশব হারিয়ে যাচ্ছে শিশুদের।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআর’র হিসাবে, কক্সবাজারের ৩৪টি শরণার্থী ক্যাম্পে অবস্থান করছে চার লাখ ৯৮ হাজার ৮৩২ জন রোহিঙ্গা শিশু। এর মধ্যে গত দুই বছরে রোহিঙ্গা শিবিরেই জন্মগ্রহণ করেছে প্রায় ৬০ হাজার।
ছয় ছেলেমেয়ে নিয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসেন নূর খলিমা। ক্যাম্পে আরেকটি ছেলে সন্তান জন্ম দেন এই নারী। ত্রাণ সহায়তায় সংসার চললেও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত তিনি। টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের খলিমা বলেন, ‘সন্তানদের নিয়ে খুবই হতাশায় থাকি সব সময়। ক্যাম্পের প্রতি ঘরে পাঁচ-ছয় জন শিশু রয়েছে। এদের বেড়ে ওঠা, ভবিষ্যৎ কী হবে—এই ভাবনায় উদ্বিগ্ন থাকি রাত-দিন। এখানে বেড়ে ওঠা শিশুরা পাচার হয় অনেক সময়। এজন্য আরও ভয় লাগে।’
ক্যাম্পগুলো পাহাড়ি এলাকায় হওয়ায় অধিকাংশ শিশুই জঙ্গলে কাঠ সংগ্রহের কাজ করে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বনরক্ষীরা তাদের অনেক সময় লাঠি দিয়ে আক্রমণ করে, অনেকে শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হয়। পাশাপাশি বন্যহাতি আর সাপের ভয় নিত্যদিনের সঙ্গী। জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে কেউ কেউ ধর্ষণের শিকার হয়েছে।’
১০ বছর বয়সী রোহিঙ্গা শিশু নূর খালেক বলে, ‘একটা স্কুল আছে, সেখানে যাই। দুপুরে ফিরে আসি। স্কুলে আমার ভালো সময় কাটে। এরপর ঘোরাফেরা করেই সময় পার করি। মাঝে মাঝে খেলি।’
ইউএনএইচসিআরের মতে, এ বছরের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক বছরের নিচে শিশু ৩০ হাজার ৮৩৫ জন। মোট রোহিঙ্গা ৯ লাখ ১২ হাজার ৮৫২ জন। এর আগে ২০১৮ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এক বছরের নিচে মোট রোহিঙ্গা শিশু ছিল ৩০ হাজার ৫০ জন। মোট রোহিঙ্গা আট লাখ ৯১ হাজার ৮৭৮ জন। মোট শিশুর মধ্যে বাবা নেই এমন শিশু সংখ্যা ৩৩ হাজার ৫৯৫ এবং মা নেই এমন শিশু রয়েছে এক হাজার ৭৯৬ জন।
ইউনিসেফের এক প্রতিবেদন বলছে, তিন থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু প্রায় তিন লাখ। ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত চার থেকে ১৪ বছর বয়সী দুই লাখ ৮০ হাজার শিশু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা নিয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ২৫ হাজার শিশু শিক্ষার বাইরে আছে। অন্যদিকে, ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুদের ৯৭ শতাংশ কোনও শিক্ষার ছোঁয়া পাচ্ছে না। তারা অপরাধ, শিশুশ্রম, মানবপাচার ও বাল্যবিয়ের মতো ঘটনায় ঝুঁকিতে রয়েছে বলে মনে করছে ইউনিসেফ।
রোহিঙ্গারা বলছেন, মিয়ানমারে তাদের কোনও আইনি পরিচয় বা নাগরিকত্ব নেই। বাংলাদেশেও শিশুদের জন্ম নিবন্ধন করা হচ্ছে না। শিশুরা পর্যাপ্ত খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসেবার সংকটে রয়েছে। তাছাড়া অনেক শিশু মিয়ানমারে অত্যাচার দেখেছে এবং কোনও কোনও শিশু কখনও তাদের বাবা-মাকে দেখতে পাবে না। এ কারণে তাদের অনেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
ইউনিসেফের অর্থায়নে কোডেক পরিচালিত স্কুলের পরিদর্শক সঞ্জু রানি দত্ত বলেন, ‘লেদা ক্যাম্পে তার দায়িত্বে রোহিঙ্গা শিশুদের ১১টি স্কুল রয়েছে। সেখানে বার্মিজ, গণিত ও ইংরেজি পড়ানো হয়। গত ২০ মার্চ পর্যন্ত এসব স্কুলে এক হাজার ১৬৩ জন শিশু পড়াশোনা করেছে।’
টেকনাফ লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের চেয়ারম্যান রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ আলম বলেন, ‘ভয়হীন এমন একটা পরিবেশে শিশুদের বেড়ে ওঠার কথা; যেখানে সবাই ভালোবাসা, আদর-যত্ন দিয়ে তাদের পরিপূর্ণ বিকাশে সহায়তা করবে। কিন্তু এর পরিবর্তে এমন একটা পরিবেশে তারা বেড়ে উঠছে, যা তাদের জীবন ব্যবস্থা বিচলিত করে।’

কক্সবাজার ভয়েস
টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত

টেকনাফে গাড়ী চালকরা বেপরোয়া: দেখার কেউ নেই

পেকুয়ায় নিষ্ঠুরতার শিকার বৃদ্ধা, বিচারের আশায় থানায়

পেকুয়ায় শিক্ষক ও পরিক্ষার্থীসহ পাঁচজনকে পিটিয়ে জখম

টেকনাফ উপজেলা ব্যাডমিন্টন কাপ ২০২০ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

টেকনাফে এক সুইচ গেইটে খুলে যাবে সম্ভাবনার দুয়ার

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নতুন ত্রাস জকির বাহিনী

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের নতুন কমিটি গঠন

দেশের প্রতিটি জেলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে-জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ওয়ার্ল্ড আরাবান ফোরামে অংশ নিতে মেয়র মুজিবের আমিরাত যাত্রা

বিশ্বকাপ জয় বাঙালি জাতির জন্য সবচেয়ে বড় উপহার-প্রধানমন্ত্রী
জুনিয়রদের কাছ থেকে শেখার অনেক কিছু রয়েছে-মুমিনুল হক
বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংবর্ধনা দিবে সরকার
মুজিববর্ষ:দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় তিন লাখ সাইলো (মোটকা) বিতরণ করবে সরকার
দেশের বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরিক্ষা তথ্য বিভ্রাট
ভারতীয় খেলোয়াড়রা অপেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে- ধারাভাষ্যকারদের মন্তব্য
টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত
রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে চায় সৌদি আরব
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কবস্থায় বাংলাদেশ
যুব বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আইওএম'র বাস ‍উপহার
আফগানিস্তানে ২ মার্কিন সেনা নিহত
রোহিঙ্গাদের দিয়ে কৌশল পাল্টাচ্ছে ইয়াবা কারবারিরা!
থাইল্যান্ডে গুলি চালিয়ে ২০জনকে হত্যাকারি সেই সেনা সদস্য নিহত
থাইল্যান্ডে সেনা সদস্যর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত ১২
দেশের প্রতিটি জেলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে-জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
 

উপদেষ্টা সম্পাদক: আবু তাহের
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
প্রকাশক: আবদুল আজিজ

 

কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (২য় তলা),
শহীদ সরণি (সার্কিট হাউস রোড), কক্সবাজার।
ফোন:
০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩।


ইমেইল :

news.coxsbazarvoice@gmail.com
About Coxsbazar Voice
Advertisement
Contact
Web Mail
Privacy Policy
Terms & Conditions
কক্সবাজার ভয়েস পত্রিকার কোন সংবাদ,লেখা,ছবি বা কোন তথ্য পূর্ব অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
All rights reserved © 2019 COXSBAZAR VOICE Developed by : JM IT SOLUTION